Stock News 24

Fresh from BPL T20 Cricket

Friday, 4 February 2011

Panic brings down stocks

Panic brings down stocks

Dhaka stocks fell heavily yesterday as panic-driven investors went for sell-offs fearing another collapse amid fresh liquidity crisis and two regulatory directives, said market operators.

In choppy trading, the benchmark general index of the DSE plunged 183.80 points, or 2.51 percent, to close at 7,125.33 points, as share prices of 231 issues out of the total 257 went down.

The DSE had experienced a similar trading on Wednesday but the general index of the bourse advanced 28.16 points as bank issues pulled the market for the day, although prices of 75 percent issues slid.

“All sectors retraced today,” said BRAC EPL Stock Brokerage Ltd in its daily market update yesterday.

News Source: Daily Star

সিডিবিএলের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন লেনদেন নিষ্পত্তিতে জটিলতা

ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী একমাত্র কম্পানি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বুধবার এবং গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তিতে (সেটেলমেন্ট) বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। রাজধানীর পল্টন এলাকায় ঝুলন্ত তার অপসারণ কার্যক্রম চলাকালে এ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এদিকে এ সমস্যা দূর করার আগেই বৃহস্পতিবার সিডিবিএলের রাজধানীর তোপখানায় অবস্থিত মূল সংরক্ষণাগারে (ডিজাস্টার রিকভারি) সমস্যা সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুপুর ২টার দিকে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। দুদিনের এ ঘটনায় শেয়ারবাজারে কারসাজির তথ্য ধ্বংস করে ফেলার আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
স্বাভাবিক অবস্থায় শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হওয়ার পর ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা নিষ্পত্তি করা হতো। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় বুধবার টেলিফোন ডায়াল আপ লাইনের মাধ্যমে কিছু কিছু ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন নিষ্পত্তি সম্ভব হয়। কিন্তু অধিকাংশ হাউসই এ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির কাজ শেষ করতে পারেনি। একপর্যায়ে দুই শতাধিক ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিকে তাদের প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার নিয়ে সরাসরি সিডিবিএলে আসতে হয়। ওইদিন রাত ৮টায় সিডিবিএলের একটি সংযোগ টেলনেট চালু হয়। বুধবার রাত ১১টায় সবকটি (চারটি) সংযোগ চালু হয়। কিন্তু গতকাল সকালে আবারও সংযোগগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এ সময় সিডিবিএলের মূল সংরক্ষণাগারেও (ডিজাস্টার রিকভারি) সমস্যা সৃষ্টি হয়। অবশ্য দুপুর ২টার দিকে টেলিনেটের সংযোগ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়। এ সময়ের মধ্যে মূল সংরক্ষণাগারের সমস্যাও সমাধান করা হয়। তবে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত বাকি থাকা তিনটি ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়নি। বর্তমানে শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়ায় লেনদেন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে। ইন্টারনেট সমস্যা সমাধানের আগেই লেনদেন বৃদ্ধি পেলে লেনদেন নিষ্পত্তিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে দেশের শেয়ারবাজার বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে খোদ সিডিবিএল কর্তৃপক্ষ মনে করছে।
এ বিষয়ে সিডিবিএলের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) শুভ্র কান্তি চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে লেনদেন নিষ্পত্তিতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অবশ্য আগামী দুদিন (শুক্র ও শনিবার) লেনদেন বন্ধ থাকায় বড় কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। এরই মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে ইন্টারনেট সমস্যার সুযোগ নিয়ে প্রযুক্তিগত বিপর্যয় ঘটিয়ে কারসাজির প্রমাণ ধ্বংস করা হতে পারে অনেকে আশঙ্কা করছেন। শেয়ারবাজারে কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হিসেবে বিনিয়োগকারীদের কাছে ব্যাপকভাবে আলোচিত একাধিক ব্যক্তি সিডিবিএলের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হওয়ায় তাঁদের পক্ষে এ ধরনের বিপর্যয় ঘটনো অসম্ভব নয় বলে কোনো কোনো বাজারবিশ্লেষকরাও মনে করছেন। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিকল্প পন্থায় লেনদেন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে সিডিবিএলের তথ্যভাণ্ডার বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে বলে মনে করছেন তথ্য-প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন হাউস থেকে নিয়ে আসা কম্পিউটারের কোনো একটিতে ক্ষতিকর ভাইরাস থাকলে তা সিডিবিএলে সংরক্ষিত তথ্য ধ্বংস করে দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারে কারসাজির প্রমাণ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবের সব তথ্য নষ্ট হয়ে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
তবে এ ধরনের আশঙ্কাকে সম্পূর্ণ অমূলক আখ্যায়িত করে সিডিবিএলের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা শুভ্র কান্তি চৌধুরী বলেন, 'সিডিবিএলে সংরক্ষিত কোনো তথ্য কারো পক্ষে ধ্বংস করা সম্ভব নয়। সম্পূর্ণ গুজবের ওপর ভিত্তি করে কেউ কেউ এ ধরনের কথা বলে থাকতে পারেন।

News Source: Link

Sunday, 30 January 2011

সাক্ষাৎকার - বসার জায়গা ঠিক না হলেও কাজ থেমে থাকবে না - খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ

সাক্ষাৎকার - বসার জায়গা ঠিক না হলেও কাজ থেমে থাকবে না - খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ

পুঁজিবাজারে সংঘটিত কারসাজি তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির বসার জায়গা এখনও ঠিক হয়নি। কম্পিউটারসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত হয়নি। তাই বলে আমাদের কাজ থেমে থাকবে না। আমরা দ্রুত কাজ শুরু করে দেবো।’

রোববার কৃষিব্যাংকে নিজ কার্যালয়ে বসে বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কমিটির চেয়ারম্যান কৃষিব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী চিঠিতে বলেছিলেন, এসইসি আমাদের অফিসের ব্যবস্থাসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে। তারা না করলে এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবো। প্রয়োজনে বিকল্প বসার জায়গা হিসেবে কৃষিব্যাংক অথবা বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির অফিসও ব্যবহার করতে পারি।’

খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে ওই সময়গুলোতে এসইসি, ডিএসই ও সিএসইর প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সংগ্রহ করবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্রোকার হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের কার্যক্রমেরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করে তাদের মতামত নেওয়া হবে। বিশেষ করে, এসইসি সম্প্রতি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ওই সময় বাজারে সেগুলোর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন শেয়ার কেন অতিমূল্যায়িত হলো, তা ডিএসই ও সিএসইর কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইব। বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাপারে তথ্য নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গেও বৈঠক করবো। বিশেষ করে যেসব ব্যাংক তাদের আমানতের চেয়ে বেশি অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে, তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হবে।’

এছাড়া কোন কোন ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুঁজিবাজারেরর সঙ্গে সম্পৃক্ত সে বিষয়েও খুঁজে বের করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, পুঁজিবাজারের বিশ্লেষক ছাড়াও এবি মির্জ্জা আজিজুল হক, ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীসহ সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সঙ্গেও আলোচনায় বসবে তদন্ত কমিটি।

News Source: BanglaNews24

মুদ্রানীতি ঘোষণা, মূল্যস্ফীতি হবে ৭ শতাংশ: কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সরকার চলতি অর্থবছরের বাজেটে সাড়ে ৬ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির কথা বললেও তা ৭ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার দুপুরে জানুয়ারি-জুন সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে গিয়ে গভর্নর ড. আতিউর রহমান এ আশঙ্কার কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ মুদ্রানীতি হবে সঙ্কুলানমুখী।

রাজধানীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর বলেন, "গত অর্থবছর সারা বিশ্বেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে খাদ্যমূল্য বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। অন্যদিকে বিকাশমান এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার আশাতীত হওয়ার কারণে জ্বালানি ও খাদ্য বহির্ভূত শিল্পপণ্যের মূল্যও বাড়ন্ত। এই প্রেক্ষাপটে ১২ মাসের মূল্যস্ফীতি অর্থবছরের দ্বিতীয়র্ধে এসে খুব দ্রুত হারে কমবে বলে মনে হয় না।"

"তাই সরকারের বাজেটে প্রত্যাশিত গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ মাত্রায় নেমে আসার সম্ভাবনা কম। বরং এই হার জুন এর দিকে ৭ শতাংশের আশেপাশে রয়ে যাবে বলে আশঙ্কা হয়," যোগ করেন তিনি।

গভর্নর জানান, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রিজার্ভ মানি, ব্রড মানি ও অ্যভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধির যে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল এবারও তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

গত মুদ্রানীতিতে রিজার্ভ মানির ক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ, ব্রড মানির ক্ষেত্রে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং আভ্যন্তরীণ ঋণের ক্ষেত্রে ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রা ধরেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে গত নভেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, রিজার্ভ মানিতে ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ, ব্রড মানির ক্ষেত্রে ২২ দশমিক ২ শতাংশ এবং আভ্যন্তরীণ ঋণের ক্ষেত্রে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা এই মুদ্রানীতিকে 'সঙ্কুলানমুখী' (অ্যাকোমোডেটিভ) অভিহিত করে বলেন, "বাংলাদেশ ব্যাংক কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনমতো মুদ্রার জোগান দিয়ে যাবে।"

নতুন মুদ্রানীতিতে বলা হয়, 'চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে মুদ্রানীতির ভঙ্গিটি প্রথমার্ধের মতোই উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সহায়ক থাকবে।'

'তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি রোধের জন্য অপচয়ী অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যাংক ঋণের প্রসার নিরুৎসাহিত করার দিকে তীক্ষè নজর রাখা হবে।'
News Source: BDNews24

পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব অব্যাহত ॥ ৪ দিনে সূচক বেড়েছে ১২৪৬ পয়েন্ট #dse

পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব অব্যাহত ॥ ৪ দিনে সূচক বেড়েছে ১২৪৬ পয়েন্ট

টানা চতুর্থ দিনের মতো দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ঊর্ধবগতি অব্যাহত রয়েছে।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ডিএসই‘র সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৬ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৭২ দশমিক ৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এ নিয়ে গত চার কার্যদিবসে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে এক হাজার ২৪৬ পয়েন্ট।

রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সিরামিকস খাতের সব শেয়ারের দাম বেড়েছে।

এছাড়াও এদিন প্রকৌশল, বীমা, সিমেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ছিল চোখে পড়ার মতো।

গত চার দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধবগতি থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। এখনো অধিকাংশ বিনিয়োগকারী লোকসানের মধ্যে থাকলেও বাজারের বর্তমান অবস্থাকে স্বাভাবিক হিসেবেই মনে করছেন।

তবে বাজার বিশ্লেষকরা প্রতিদিন দাম বাড়াকে স্বাভাবিক মনে না করলেও বড় ধরনের দরপতনের কারণে বাজার কিছুটা ঊর্ধবমুখীতার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন।

তাদের মতে ধারবাহিক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান বিনিয়োগকারীরা সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে।

এ ব্যাপারে ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, প্রতিদিন শেয়ারের দাম কমে যাওয়া যেমন ঠিক না, তেমনি বাড়াও ঠিক না। যেহেতু বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছিল, তাই বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এটা প্রয়োজন ছিল।

তবে বিনিয়োগকারীদের অতিমূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ করা উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

রোববার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এদিন ডিএসই’তে এক হাজার দ্ইু কোটি দুই লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে।

এটি আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ২২ লাখ টাকা কম। দিনশেষে লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৫ টির এবং কমেছে ৩৩ টি অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটির দাম।

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল, ন্যাশনাল ব্যাংক, বে-লিজিং, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ম্যাকসন স্পিনিং, বেক্সিমকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
News Source: bangla news

#dse আইন ভঙ্গ করে ১৬৫০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি বেক্সিমকোর

সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করে ঘোষণা ছাড়াই ১৬৫০ কোটি টাকার স্পন্সর শেয়ার বিক্রি করেছে বেক্সিমকো গ্রুপ। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্পন্সর শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ৩০ দিনের আগাম ঘোষণার বিধান রয়েছে। কিন্তু বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো টেক্সটাইল (বেক্সটেক্স), বেক্সিমকো ফার্মা ও বেক্সিমকো সিনথেটিকের পরিচালকরা গত দেড় বছরে প্রায় ১৬৫০ কোটি টাকার স্পন্সর শেয়ার বিক্রি করলেও স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেয়নি। এটি সিকিউরিটিজ আইনে অপরাধ হলেও এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রকাশিত মাসিক রিভিউ ও ওয়েবসাইট সূত্রে দেখা যায়, ২০০৯ সালের মে মাসে বেক্সিমকো টেক্সটাইলের পরিচালকদের শেয়ার ৩৯.৪৭ শতাংশ থাকলেও ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তা ২০.১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ উক্ত সময়ের মধ্যে ১৯.৩২ শতাংশ শেয়ার বেক্সটেক্সের পরিচালকরা বিক্রি করেছেন। উল্লিখিত সময়ে শেয়ারের গড় মূল্য ৮৩ টাকা অনুযায়ী প্রায় ৭৪৯ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার পরিচালকরা বিক্রি করেছেন। কিন্তু ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেখা যায়নি। ২০০৯ সালের মে মাসে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালকদের শেয়ার ২০.৬৩ শতাংশ থেকে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১০.৯১ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ে এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তাদের হাতে থাকা ৯.৫৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। শেয়ারের গড় মূল্য অনুযায়ী শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে এ কোম্পানির পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৬৮৩ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন। এক্ষেত্রেও স্পন্সর শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি। একই সময়ের মধ্যে বিবিধ খাতের বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালকদের শেয়ার ২৪.৮৮ থেকে ২১.২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালকরা বাজার থেকে প্রায় ২১১ কোটি টাকা তুলেছেন। একই সময়ে বেক্সিমকো সিনথেটিকের পরিচালকরা ৬.৩২ শতাংশ শেয়ার প্রায় ২০ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন। এসব শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রেও কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।
অপরদিকে স্পন্সর শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলো কোনো আগাম ঘোষণা না দিলেও শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে উলি্লখিত সময়ে বিভিন্ন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ২০০৯ সালে জুলাই মাসে বেক্সিমকো লিমিটেড কর্তৃক জিএমজি এয়ারলাইন্সের ৩০ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয়, আগস্টে বাংলাদেশ অনলাইন অধিগ্রহণের ঘোষণা দেয় বেক্সিমকো। এছাড়া ২০১০ সালের জুন মাসে ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্টের ১৬০ কোটি টাকার বিনিয়োগ ও জুলাই মাসে ঢাকা সাংহাই সিরামিক অধিগ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। এছাড়া গত বছরের আগস্ট মাসে বেক্সিমকো টেক্সটাইল কর্তৃক নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেডের ৩৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার ঘোষণা দেয়া হয়। এসব ঘোষণার মাধ্যমে বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বাড়ানোর সুযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালকরা ঘোষণা ছাড়াই শেয়ার বিক্রি করেন।
এ বিষয়ে এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, এভাবে স্পন্সর শেয়ার বিক্রি সিকিউরিটিজ আইনের পরিপন্থি। এ ধরনের কিছু হয়ে থাকলে এসইসি ও ডিএসই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
News Source: http://www.sheershanews.com

Friday, 28 January 2011

সহযোগী কম্পানির ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার প্রস্তাব সামিট গ্রুপের

সহযোগী কম্পানির ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার প্রস্তাব সামিট গ্রুপের
পুঁজিবাজারে সহযোগী চার কম্পানির শেয়ার কিনতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমতি চেয়েছে সামিট ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড মার্কেন্টাইল করপোরেশন (এসআইএমসি)।
বর্তমান বাজার দরে চারটি সহযোগী কম্পানির মোট ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিয়েছে কম্পানিটি। গত ২৩ জানুয়ারি সামিট মার্কেন্টাইল করপোরেশনের পক্ষ থেকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিয়ে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসইসি এবং দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। চিঠিতে সামিট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ার লিমিটেড, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কম্পানি লিমিটেড এবং ওশেন কনটেইনার্স লিমিটেডের শেয়ার কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সামিট গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফরিদ খান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাজারের টানা দরপতন ঠেকাতে নিজেদের সহযোগী কম্পানির শেয়ার কেনার প্রস্তাব এসইসিকে দিয়েছি।'

News Source: KalerKonto

পুঁজিবাজার পতন : কিছু প্রশ্ন - very interesting writing

পুঁজিবাজার পতন : কিছু প্রশ্নখোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
আমি পুঁজিবাজারের ক্রেতা, বিক্রেতা বা ব্রোকার কোনোটাই নই। বলা যায় সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ। সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি একজন দর্শক মাত্র। সেই সঙ্গে ক্রেতা-বিক্রেতা-দালালদের কথাবার্তা কানে আসে। মেলাতে চেষ্টা করি। এই হলো আমার লেখার উপাদান। প্রশ্ন হতে পারে, শোনা কথা লিখছি কেন? জবাবে মনে পড়ছে বাংলা প্রবাদ 'যা রটে, তার কিছু তো বটে।' আর দর্শক হিসেবে যা মনে হয়েছে, তা প্রকাশ করা নৈতিক দায়িত্ব। সত্যতা না থাকলে হারিয়ে যাবে। সত্য হলে সচেতনতা বাড়বে।
২০১০ সালে দুইবার বড় রকমের জোয়ার এসেছিল শেয়ারবাজারে। শেষটা ছিল সেপ্টেম্বরে। এর আগে থেকেই সাংবাদিকরা সাবধানধ্বনি উচ্চারণ করেছিলেন। মনে পড়ে, একজন অভিজ্ঞ অর্থনৈতিক সাংবাদিক একদিন দুপুরে আমার সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা উৎকণ্ঠা নিয়ে আলাপ করছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পুঁজিবাজার উল্লম্ফনটি ভয়ংকর অস্বাভাবিক। পতন হলে আরেকটি ছিয়ানব্বই হবে। আমি অনুরোধ করেছিলাম পতনের দুঃস্বপ্নটি না দেখিয়ে সাংবাদিকদের উচিত শোধরানোর উপায় বাতলানো এবং আস্থা বিনষ্ট না করা। সাংবাদিক কথা রেখেছিলেন। আমিও কথা রেখেছিলাম। উৎকণ্ঠাটি বারবার টক-শোসহ বিভিন্ন আলোচনায় প্রকাশ করেছি। কিন্তু কুম্ভকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ হয়নি, যদিও স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে লাখ লাখ মানুষের।
মার্কেটিং তত্ত্বেও 'বাজার' বলতে যা বোঝায়, পুঁজিবাজার তেমন নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। এটি একটি ফটকা কারবার। 'বাজার' ব্যাখ্যা করা যায়। ফটকা কারবার ব্যাখ্যা করা যায় না। কেন ১০০ টাকার শেয়ার ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যদিও কম্পানিটি অচল। এর ব্যাখ্যা কি বাজার অর্থনীতিতে মিলবে? সে জন্যই এটা বাজার নয়। জুয়া খেলা। তবে সংগঠিত বিদেশি পুঁজিবাজার সম্পর্কে এ কথা প্রযোজ্য নয়। সেখানেও জোয়ার-ভাটা আছে, যা মোটামুটি ব্যাখ্যাযোগ্য।
ঢাকা শেয়ারবাজারে সেপ্টেম্বর উল্লম্ফনের পর টক-শোতে বলেছিলাম (যা পরেও বলেছি) যে একটা দুষ্টু ছেলে বিরাট আমগাছটার কচি আগডালে উঠে গেলে,হয় সে ডাল ভেঙে ধপাস করে মাটিতে পড়ে হাত-পা ভেঙে ফেলবে, নচেৎ ধীরে ধীরে সাবধানে নেমে আসবে। নামতে তাকে হবেই। টক-শোতে অনুরোধ করেছিলাম, অন্ততপক্ষে সাবধানতার সঙ্গে ধীরে ধীরে নামতে সবাই যেন সহযোগিতা করেন। নামার কোনো বিকল্প নেই। কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে মন্তব্য করেছিলেন, 'বুলিশ মার্কেটে' এমনটা হয়েই থাকে, চিন্তার কিছু নেই। ধারণাটা যে কতটা 'ফুলিশ' ছিল, অনেক দণ্ড দিয়ে তা বুঝতে হলো। একটি সম্ভাবনাময় শেয়ারবাজার গড়ে উঠেছিল। শত শত শিক্ষিত বেকার স্বনিয়োজিত হয়েছিলেন। কর্মসংস্থানের একটি নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হচ্ছিল। জুয়াড়ি সিন্ডিকেটের চক্রান্তে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যর্থতায় (সহায়তায়?) লাখ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কর্মচ্যুত হলো অনেক যুবক। ভাবতে অবাক লাগে, এত সবের পর একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী (যিনি সজ্জন ব্যক্তিও বটে) সাংবাদিকদের কাছে বললেন, শেয়ারবাজার পতনে সরকারের কিছু আসে যায় না! 'ওয়েট অ্যান্ড সি'_এ ধরনের মন্তব্য করাই কি তার পক্ষে শোভন হতো না?
ঘুরেফিরে যে কথাটি বারবার কানে আসছে, তা হলো সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে গত চার মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা, নাকি আনহোলি অ্যালায়েন্সের একটি সিন্ডিকেট মেরে দিয়েছে। সিন্ডিকেটের মূল সদস্যসংখ্যা নাকি দেড় থেকে দুই ডজনের বেশি নয়। তবে বিও অ্যাকাউন্ট গণনা করলে, সহযোগী ও বেনামিসহ সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যাবে। মূল খেলোয়াড়রা নাকি বেশির ভাগ বিএনপি ঘরানার, যদিও পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন আওয়ামী ঘরানার ব্যক্তিরা। সংসদে দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও পুঁজিবাজারে হরিহর আত্মা। বুঝহ সেজন, যেজন জানো হে সন্ধান।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন আছে। বিধিবিধান আছে। আছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, সিকিউরিটি অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন। শোনা যায়, নিয়ন্ত্রক নাকি নিয়ন্ত্রিত হয়ে গেছে! তাও নাকি সিন্ডিকেটের হাতে! সবাই তো সরকারকে দোষারোপ করছে। সরকার কোনো ব্যক্তি নয়। সরকার চলে বিভিন্ন বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ সংস্থা দায় এড়াবে কিভাবে? সরকার কি অ্যাকাউন্টিবিলিটি নিশ্চিত করবে? কমিশন কি পুনর্গঠিত হবে?
বাতাসে অনেক কথা ভেসে বেড়াচ্ছে। কিছু কিছু কথা তুলে ধরছি, কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করছি। দেখা যাক, সরকার ক্রিয়াশীল না ভাবলেশহীন! নাকি প্রতিক্রিয়াশীল!
একটি মুখরোচক রটনা হলো এই যে সিন্ডিকেটের বেশির ভাগ সদস্য বিএনপিপন্থী। আওয়ামীদের নেতৃত্বে তারা কাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। পুঁজি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহযোগিতায়। উদ্দেশ্য দুটি। হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া গেল। একই সঙ্গে মহাজোট সরকারকে একহাত দেখিয়ে দেওয়া হলো। এক ঢিলে দুই পাখি শিকার! রটনাটি কিন্তু পরীক্ষাযোগ্য। তদন্ত করে নামে-বেনামে কারা অধিক উপার্জন করেছে, তার তালিকা বের করা সম্ভব। তাদের রাজনৈতিক রংও নির্ণয় করা সহজ। সিন্ডিকেটের আওয়ামী সদস্যদের চিহ্নিত করাও কঠিন নয়। সরকারের কোনো কোনো ক্ষমতাশালীর মাধ্যমে তারা বাধাহীনভাবে লুটতরাজ ঘটিয়ে চলেছিল, তাও উচ্চপর্যায় থেকে শনাক্ত করা যায়। কারণ কিছু কিছু সিদ্ধান্ত ওপর থেকে হয়ে থাকে। ওই সব সিদ্ধান্তের তদবিরে কারা ছিলেন, সেটি যাচাই করলেই আলামত পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন কঠিন সদিচ্ছা এবং আত্মসংশোধনের অঙ্গীকার।
দু-একটি বাজারের রটনা তুলে ধরা যাক। কোনো ইঙ্গিত মেলে কি না দেখার জন্য। প্রথমেই আসা যাক সিকিউরিটি অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের একজন বহুল আলোচিত মেম্বারের বিষয় নিয়ে। শোনা যায়, তাঁকে নাকি এখন 'নিষ্ক্রিয়' করা হয়েছে। আবার এও শোনা যায়, তিনি নাকি পদত্যাগ করেছেন। এই সদস্যের বিষয়ে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে, মেসেজ পেঁৗছে যেত এবং অনেক অঘটন হয়তো ঘটত না। এই সদস্যকে 'মেম্বার' হিসেবে প্রথম টার্ম শেষ করার পর দ্বিতীয় টার্মের জন্য পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল কয়েক মাস আগে। তখন শুনেছিলাম, ওই সদস্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের চুক্তিপত্র সই না করেই তিন বছর চাকরি করেছেন, যা চাকরিবিধি অনুযায়ী একটি অনিয়ম। পুনর্নিয়োগের আগেই ওই সদস্য সম্পর্কে সরকারের উচ্চপর্যায়ে সতর্কবাণী পেঁৗছানো হয়েছিল মর্মে আমি নিশ্চিত হয়েছি। তা সত্ত্বেও (এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অসম্মতি সত্ত্বেও) সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তাঁর পুনর্নিয়োগ মঞ্জুর হয়ে এসেছিল। প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ, কোন কোন ক্ষমতাশালী সরকারি ও বেসরকারি ব্যক্তি ওই সদস্যের পুনর্নিয়োগে অবদান রেখেছিলেন, তা আপনার ও সরকারের স্বার্থে তদন্ত করে দেখুন। কালো বিড়াল চিহ্নিত করার জন্য এটি একটি ইঙ্গিত।
বাতাসে আরো একটি কথা ভাসছে। রটনাটি আদৌ সত্য হলে তথ্যটি ভয়ংকর। শোনা যায়, সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা নাকি উচ্চপর্যায়ে সিকিউরিটি অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের কোনো এক নির্বাহীর বিষয়ে সর্বৈব মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে ঘোলা জলে মৎস্য শিকার করতে চেয়েছিল। পর্যালোচনায় ধরা খেয়ে যাওয়ায় সংস্থাটি বোকা বনে গেছে। সত্যি এমন কিছু ঘটে থাকলে, বিষয়টি ওখানেই থেমে যাওয়া উচিত। কার স্বার্থে, কিসের বিনিময়ে এবং কোন কর্মকর্তা মিথ্যা রিপোর্ট প্রদানের সাহস পেল, সেটি খতিয়ে দেখা উচিত। তা না হলে, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক তথ্য সরবরাহ অক্ষুণ্ন থাকবে, যা রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বের জন্য ক্ষতিকর।
আরো একটি কথা বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে বেশ কয়েক মাস যাবৎ। আগে ঘুষের কথা শোনা যেত। কিন্তু তা নয়। এখন শোনা যাচ্ছে, সিন্ডিকেট নাকি গুরুত্বপূর্ণ অফিসের ছোট, মাঝারি, বড় চাকুরেদের শেয়ার (হালাল ঘুষ?) খাইয়েছে। সিন্ডিকেটই দাম ওঠা-নামা করায়। সে প্রক্রিয়ায় এসব 'গরিবদের' দুই পয়সা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা। আইপিওতে লাভ ভালো। সেগুলো ভাগযোগ করে দেওয়া এসব সহায়কদের মাঝে। ইন্টেলিজেন্সের ইনফরমাররাও বাদ যাবেন কেন? অবৈধ কিছু তো নয়। শেয়ার ব্যবসা তো একেবারেই হালাল। অনায়াস লাভে ইনফর্মারের ইনফরমেশন পাল্টে গেলে অঘটন ঘটে যেতে পারে। সংবেদনশীল পদে নিয়োজিতদের (ছোট-বড় সবাই) শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা উচিত কি না, তা নির্ধারণ করার ভার রাষ্ট্রের। তবে আমার পেশা জীবনের একটি তথ্য পেশ করতে পারি। পাকিস্তান আমলে করাচিতে তৎকালীন বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক হাবিব ব্যাংকের চাকরিতে যোগদান করেছিলাম প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে। অনেক ফরম, নিয়মাবলি ও অঙ্গীকারনামায় দস্তখত করতে হয়েছিল চাকরিতে যোগদানকালে। তার মধ্যে একটি অঙ্গীকারনামায় ছিল শেয়ারবাজার সম্পর্কে। অঙ্গীকার করতে হয়েছিল, 'ব্যাংকে চাকরিরত অবস্থায় আমি পুঁজিবাজারে বা অন্য কোনোভাবে কোনো কম্পানির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করব না, করতে সাহায্য করব না, এমনকি তেজি-মন্দা বিবেচনায় নামে-বেনামে বা কোনোভাবে অর্থ বিনিয়োগ করব না।' ব্যাংকারদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে তখনো কোনো আইনি বাধা ছিল না। কিন্তু নৈতিকতাবিরোধী বিবেচিত বিধায় অঙ্গীকারনামা নেওয়া হতো। সেই থেকে আমি কোনো দিন শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করিনি দীর্ঘ ব্যাংকার জীবনে। শেয়ার নামীয় জুয়া খেলার ব্যাপারে সরকার কি সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তাদের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করবে? বিধিনিষেধ অর্পণ করবে? বাংলাদেশ ব্যাংকের দু-চারজন কর্মকর্তা পুঁজিবাজারে খেলা খেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজে ও সুনামে কেমন কালিমা লেপন করেছিলেন, সরকার ইচ্ছা করলে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারে।
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু দুটি শব্দ অনেকবার উচ্চারণ করেছেন। প্রকাশ্যে এবং নিভৃতে। শব্দ দুটি ছিল 'আত্মসমালোচনা' ও 'আত্মসংশোধন'। সে উদ্দেশ্যেই এ লেখাটি। বলা হতে পারে, এতই যদি শুভাকাঙ্ক্ষী, তাহলে প্রকাশ্যে না লিখে গোপনে বললেই হতো। হলে ভালো হতো। হয়নি। গোপনে এবং নিম্নকণ্ঠে অনেক বলেছি। কেউ কর্ণপাত করেনি। তাই 'ঘা দিয়ে জাগাতে' চাচ্ছি। মাত্র বঙ্গবন্ধু হত্যার রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে। দুরাচার, যুদ্ধাপরাধী তথা মানবতাবিরোধীদের বিচার শুরুই হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের অনেক অর্জন নষ্ট হয়ে গেছে। উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে এ সরকার। অনেক কাজ বাকি। তাই মুক্তিযুদ্ধের মহাজোটকে আফিম খাইয়ে ঘুমপাড়ানি গান যারা শোনায় তাদের শনাক্ত করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে ঘা দিয়ে জাগিয়ে তোলা সচেতন নাগরিকদের দায়িত্ব।
২৩ জানুয়ারি ২০১১

লেখক : সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বর্তমানে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান
News Source: KalerKonto

Friday, 15 October 2010

Summit wins 300-450mw Bibiyana power plant bid

News Source: http://bit.ly/8XQLXr

The largest local power giant Summit has finally won the Bibiyana 300-450 megawatt (mw) gas-fired combined cycle power plant as it became the lowest bidder Thursday to construct the plant.

With this win Summit has become the first local company to win a big power plant in Bangladesh after offering to sell electricity at a tariff rate of Tk 3.32 per unit (1 kilowatt-hour).

"It was a very competitive bidding and I am happy that I could complete the selection process," director general of Power Cell Mahboob Sarwar-e-Kainat told reporters.

Malaysian YTL Power International Berhard was the nearest competitor for the Bibiyana power plant, he said.

Four foreign and local firms and their joint ventures including-Shasha Denims and its joint-venture partner MPC Consortium of Meiya Power Company Ltd (Hong Kong) and the Otobi Ltd along with Asian Entech Power Corporation Ltd and their joint-venture partners China National Machinery and Equipment Import and Export Corporation (CMEC) - were qualified primarily by the Power Cell.

Seven firms initially showed interest to install the 300-450mw gas-fired Bibiyana power plant.

"We are very glad to be the lowest bidder," Summit Power Chairman Muhammed Aziz Khan said.

"We will utilise the world's most efficient engine from GE of USA to generate extraordinarily low-cost and environment-friendly electricity," he said.

Summit Industrial and Mercantile Corporation (Pvt) Ltd and its partner GE Energy LLC will build the power plant after signing necessary deals.

Bibiyana power plant, which is also known as Bibiyana -1 power plant, will be implemented on a build, own and operate (BOO) basis pursuant to a 22-year implementation agreement.

The government will provide necessary land and required gas to the selected sponsors for generating electricity.

It will also purchase electricity from the sponsor, who will offer to sell electricity at lower rate.

The estimated cost for installing the Bibiyana plant would be over $300 million.

Multilateral donor agency the World Bank is set to provide funding to implement the power plant project.

The plant would generate electricity by consuming natural gas from US oil giant Chevron-operated Bibiyana gas field.

Bibiyana power plant site is located near the town of Sadipur, Habiganj district near Sylhet and approximately 180 kilometres northeast off the capital.

The plant will comprise a complete gas fired combined cycle facility of 330 mw to 450mw with all support facilities required for commercial operation, said a power ministry official.

The main power block shall consist of one or more gas turbines, one or more gas turbine generators, one steam turbine, one steam turbine generator and one or more heat recovery generators.

Summit won the Bibiyana power plant during the second bidding for setting up the plant as independent power producer (IPP).

The government initiated to build the Bibiyana power plant in 2006 but failed to select any bidder.

Summit Power chairman said his company is well positioned for being awarded a substantial number of electricity generation projects shortly.

The company has been already short-listed by the power ministry for setting up three more big power plants-Meghnaghhat dual-fuel 300mw-450mw combined cycle power plant, Bibiyana-2 300mw-450mw combined cycle power plant (unit 2) and Bhola 150mw-225mw combined cycle power plant.

"We look forward to winning all the three big power plant projects," said the Summit chairman.

Apex Weaving stocks jump on comeback news

News Source: http://bit.ly/aAlfYR

১৮ অক্টোবর একটিভ ফাইন কেমিক্যালের লটারী ড্র

News Source: http://bit.ly/90SYyH

সূচক লেনদেন কমলেও বেড়েছে মূলধন

News Source: http://bit.ly/aUS2Te

সপ্তাহের শেষদিনে সূচকের পতন

News Source: http://bit.ly/aixHHe

Tuesday, 12 October 2010

শিগগির ৩ বছরের লভ্যাংশ দেবে এইমস

News Source: http://bit.ly/dxbUwZ

 শিগগিরই একসঙ্গে তিন বছরের লভ্যাংশ দেবে এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। 

রাইট বোনাস সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনার সার্টিফায়েড কপি হাতে এসে না পৌঁছায় লভ্যাংশ ঘোষণা করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এইমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইয়াওয়্যার সাঈদ।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো এইমস মিউচ্যুয়াল ফান্ডের রাইট বোনাস সংক্রান্ত মামলার হাইকোর্টের রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাইনি। তবে আশা করছি আগামী সপ্তাহে পেতে পারি। রায়ের কপি পাওয়ার পর আমরা এসইসির কাছে এ বিষয়ে আমাদের করণীয় জানতে চাইবো।’ 

ঘোষিত দুই বছরের লভাংশের সঙ্গে চলতি বছরের লভ্যাংশও দেওয়া হবে বলে জানান ইয়াওয়্যার সাঈদ।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ড ২০০৮ ও ২০০৯ এই দুই বছরের রাইট ও বোনাস ইউনিট ঘোষণা দেয়। তবে এসইসি প্রতিষ্ঠানটির রাইট বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব বাতিল করে দিলে একজন বিনিয়োগকারী আদালতে রিট করেন। ছয় মাস মামলা চলার পর গত ৬ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এইমসের রাইট বোনাস বাতিল সংক্রান্ত এসইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে।

সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান গঠনের সময়সীমা বৃদ্ধি

News Source: http://bit.ly/bXmlNR

ডিএসই: সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ৬৬.৬২ পয়েন্ট

News Source: http://bit.ly/aq8ddz

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সাধারণ মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। আজ বিকেল তিনটায় লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ মূল্যসূচক ৬৬ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৬৩ দশমিক ০৫ পয়েন্টে।
ডিএসইতে আজ ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৭টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।
এদিকে ডিএসইতে আজ মোট দুই হাজার ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৪৫৪ কোটি টাকা বেশি। 
লেনদেনে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো—বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, বিডি ফিন্যান্স, বিজিআইসি ও বেক্সিমকো টেক্সটাইল।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৭৯ টাকা বা ১১.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডস, কাশেম ড্রাইসেলস, আইসিবি ও ইমাম বাটন দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে ঢাকা ফিশারিজের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২৮.৫০ টাকা বা ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে যায়। এ ছাড়া বিডি অটোকারস, জেমিনি সি ফুড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড-১ দাম কমে যাওয়া শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ ডিএসইর বাজারমূলধন ৩,২৪,১৬৮ কোটি টাকা।

মার্জিন ঋণ সমন্বয়ের সময়সীমা নিয়ে বিভ্রান্তি ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সমস্যায় পড়লে সমাধান দেবে এসইসি

News Source: http://bit.ly/9J9mLp

সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগের আদেশে মার্জিন ঋণ ও ফোর্স সেল সম্পর্কে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা পুনর্বহাল হলেও ঋণ সমন্বয়ের সময়সীমা নিয়ে বিনিয়োগকারী ও সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এর আগে ঋণ সমন্বয়ের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হলেও আইনী জটিলতার মধ্যেই পার হয়ে গেল ওই সময়সীমা। সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের পর তাৎৰণিকভাবে মার্জিন ঋণ হিসাবে এনএভি পদ্ধতি কার্যকর করা হলেও পুরনো ঋণ সমন্বয়ের জন্য নতুন কোন সময়সীমা দেয়নি এসইসি। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। তবে সমন্বয়ের বিষয়টি আপাতত ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে এসইসি। এ নিয়ে কোন রকম সমস্যা সৃষ্টি হলে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় সমাধান দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। 
এ বিষয়ে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া বলেন, আপীল বিভাগের আদেশের পর মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো এসইসির আগের নির্দেশনা অনুযায়ী শেয়ারের বাজার মূল্য ও এনএভির যোগফলের অর্ধেকের ভিত্তিতে মার্জিন ঋণ প্রদান করতে হবে। ইতোমধ্যেই ডিএসইর পৰ থেকে মার্জিন ঋণের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ওই তালিকার ভিত্তিতে ঋণ দেবে। আর অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের জন্য ইতোমধ্যেই এসইসি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো নিজেদের মতো করে সমন্বয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে বলে কমিশন আশা করছে। এৰেত্রে কোন রকম সমস্যা তৈরি হলে তারা কমিশনকে জানালে অবশ্যই সে বিষয়ে সমাধান দেয়া হবে। 
এদিকে এনএভি ও বাজার মূল্যের গড়ের অর্ধেকের ভিত্তিতে মার্জিন সমন্বয়ের জন্য ইতোমধ্যেই ঋণের হার পুনর্নির্ধারণ করেছে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো। অধিকাংশ মার্চেন্ট ব্যাংক তাদের ঋণের হার পুনর্নির্ধারণ করে ১:০.৬ বা এর কাছাকাছি নামিয়ে এনেছে। কোন শেয়ারের এনএভি শূন্য হলেও বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ওই শেয়ারের ঋণের হার ০.৫-এর কম হবে না_ এই বিবেচনায় সব শেয়ারের ৰেত্রেই এই হারে ঋণসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে ঋণ নিয়ে কোন জটিলতা সৃষ্টি হবে না বলে মার্চেন্ট ব্যাংকাররা মনে করছেন। অন্যদিকে ঋণের হার ০.৫ বা ০.৬ নির্ধারণের পর যেসব গ্রাহকের হিসাবে আগে নেয়া অতিরিক্ত ঋণ রয়েছে_ শেয়ার বিক্রির পর স্বাভাবিকভাবেই তাদের ঋণ সমন্বয় হচ্ছে। এর ফলে অধিকাংশ ৰেত্রেই ঋণ সমন্বয়ের জন্য ফোর্সসেলের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করছেন সংশিস্নষ্টরা। 
উলেস্নখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর এনএভিভিত্তিক হিসাব পদ্ধতি কার্যকরের জন্য এসইসির জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মূল কার্যক্রমের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হিসাব করবে। এৰেত্রে সংশিস্নষ্ট কোম্পানি বা মিউচু্যয়াল ফান্ডের সর্বশেষ ঘোষিত আর্থিক বিবরণীতে উলিস্নখিত এনএভির ভিত্তিতে মার্জিন নির্ধারণ করা হবে। প্রতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর ওয়েবসাইটে এই তালিকা হুবহু প্রকাশ করা হবে। এই তালিকার ভিত্তিতেই ডিএসই ও সিএসইর আওতাধীন ব্রোকারেজ হাউস এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে গ্রাহকদের জন্য মার্জিন ঋণের পরিমাণ হিসাব করবে। 
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ডিএসই নির্ধারিত মার্জিন হিসাব করে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস প্রয়োজনে সংশিস্নষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী গ্রাহককে অতিরিক্ত অর্থ জমা দিতে বলবে (মার্জিন কল)। এসইসির নির্দেশনা মোতাবেক ডিএসই প্রথম দফা জটিলতা এড়িয়ে দ্বিতীয় দফায় ২৪ সেপ্টেম্বর এনএভির ভিত্তিতে ঋণযোগ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও প্রাপ্য ঋণের হিসাব প্রকাশ করে। আর এ নির্দেশনাকে চ্যালেঞ্জ করে ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে দুই বিনিয়োগকারী রিট দায়ের করলে তিন মাসের জন্য তা স্থগিত করা হয়। এ বিষয়ে এসইসির লিভ টু আপীলের ভিত্তিতে গত রবিবার হাইকোর্টের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করে দিয়েছেন সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ। এসইসির আগের নির্দেশনা অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে এনএভির ভিত্তিতে মার্জিন ঋণ দিতে হবে। আপীল বিভাগের আদেশের পর ওইদিনই ঋণযোগ্য ১০০টি কোম্পানি ও ২৪টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রাপ্য ঋণের তালিকা প্রকাশ করেছে ডিএসই

Dhaka stocks recover from Sunday's plunge

News Source: http://bit.ly/bVd4JB

Dhaka stocks after suffering the second biggest single-day decline in the previous session returned Monday to their gaining streak. 

The market opened positively with initial bumps and the momentum continued until the end. Panic among investors that prevailed in the previous day eased, with funds flowing like before, said dealers. 

The benchmark DSE General Index (DGEN) surged by 1.42 per cent or 103.89 points to close at 7396.43, lifted by heavyweight Grameenphone (GP) that rose more than four per cent. 

The broader All Shares Price Index (DSI) shot up by 1.37 per cent or 83.34 points to 6150.83. The DSE-20 Index, comprising blue chips, was up by 1.39 per cent or 60.08 points to 4374.42.

Institutional investors were more active than the retailers in buying stocks, sources in the bourse said.

Prices of around 80 per cent issues closed positive, as out of the 245 securities traded, 189 gained, 49 advanced, and seven remained unchanged. Turnover in terms of value fell by 18 per cent to Tk 15.64 billion.

Suspension of netting facilities has come into effect from Sunday after the Supreme Court (SC) vacated the High Court's stay order on the Securities and Exchange Commission's (SEC) directive, causing lower volume of trade. 

"Fund poured in like previous three weeks, helping the market to bounce back," said Ahmad Rashid, managing director of Rashid Investment Services Ltd. 

He said trigger sale in line with the SEC's directive was yet to take place, as the directive has come into effect after expiry of the loan adjustment period (September 30) due to the SC's vacation of the stay-order of the High Court Sunday (October 10). 

A merchant banker said, "Some of us have already cut down credit lower than the regulator's order." 

All the sectors advanced, except bank, which was marginally down by 0.13 per cent.

Telecommunications emerged as the top gaining sector, as GP, the lone listed company of the sector, soared 4.09 per cent. 

Insurance sector was up by 3.30 per cent, followed by NBFIs 2.95 per cent, and fuel and power 2.0 per cent.

Premier Bank continued as the top turnover leader with shares worth Tk 668.04 million changing hands. Other turnover leaders were Peoples Leasing, Uttara Bank, Summit Power, Standard Bank, Shahjalal Bank, Lanka Bangla Finance, Social Investment Bank, Beximco Ltd and Exim Bank.

Uttara Finance gained the highest 9.02 per cent, followed by BGIC, BD Finance, Sonargaon Textile, Peoples Leasing, Continental Insurance, Agrani Insurance, Meghna Life Insurance, First BSRS Mutual Fund and Central Insurance.

On the other hand, DBH First Mutual Fund, Kohinoor Chemicals, Libra Infusion, BSC, Style Craft, Monno Fabrics, Pharma Aids, Fu-Wang Ceramics, Ambee Pharma and First Security Bank were the leading losers.

Dishonest traders manipulate prices

News Source: http://bit.ly/dtWmLY


The image of the government will be tarnished badly if the current rising trend in prices of essential commodities including rice, flour and edible oil continues unabated, warned an intelligence report of the government.

The malpractice of a group of unscrupulous businessmen is mainly responsible for the abnormal price hike of essentials in the local market, the report added.

However, leading businessmen brushed aside the allegation and pointed to international markets for the worsening market situation.

'The prices of rice, wheat, garlic, pepper and edible oil have increased in recent times. The livelihood of lower income people is being affected following the price hike of essential commodities. The image of the government will be tarnished if the current price hike continues in future,' the intelligence report said.

The report sent to the Prime Minister's Office (PMO), has blamed the businessmen for price manipulation. It said a group of dishonest traders and importers raised the prices of essentials citing the price hike in international markets.

'The importing formalities of essential goods take at least three to four months. The foreign essential goods now being traded in the local markets were imported into the country about four to five months back. So, the prices of those goods have no reason to go up in local markets at current international rates,' elaborated the intelligence report.

The report said the market monitoring activities of Ministry of Commerce (MoC), which have been visible and active during the month of last Ramadan, is not active now. Three monitoring teams of the ministry to oversee the prices of essentials have been abolished in recently leading to price manipulation in the market, the report added.

However, the officials in the MoC said the monitoring teams have been increased to five from three rather than their abolition. The monitoring activities will be strengthened further with empowering state trading agency-Trading Corporation of Bangladesh (TCB)- for market intervention.

The intelligence report said the prices of coarse rice, flour (atta), Soybean oil, onion and garlic have increased by 25 to 30 per cent compared to the prices of the food commodities during the month of last Ramadan.

According to the price information of TCB on October 11, the price of coarse rice has risen by 38 per cent, atta 50 per cent, Soybean 21.09 per cent, Palm oil 38.02 per cent and the price of garlic in retail markets has risen by 85 per cent compared to the price levels a year ago.

Importers and local big traders said the government is largely responsible for the situation as it refrained from taking any measure to import food items through TCB after Russia and Ukraine had banned export of wheat about four to five months back.

Mostafa Kamal, Chairman, Meghna Group of Industries, said the prices of Palm oil and Soybean have increased at least by $70 to $80 per tonne in international markets last week following a report of the US Department of Agriculture was released . The US report forecast price hike of food items further following lower production in global food exporting countries.

He advised the government, particularly MoC and TCB to subscribe Reuters and Bloomberg to remain updated on latest prices of essentials in international markets.

Another importer said the importers generally fix rates averaging the prices of imported food items brought earlier and the current value as a business strategy.

Stocks back on steady climb

News Source:  http://bit.ly/cA0NJp


Stocks climbed back up yesterday after the previous day's big fall.
Benchmark index of the Dhaka Stock Exchange -- DSE General Index (DGEN) -- jumped up 103 points, or 1.42 percent to 7,396, while the key index of the Chittagong Stock Exchange -- CSE Selective Categories Index -- went up 175 points, or 1.28 to 13,884.
Stockbrokers said the share prices of the companies affected by Sunday's blow marked a rise.
Besides, they said, absence of any instruction from the regulator on loan adjustment following a win over a legal battle gave investors an impression that it might go slow on the issue.
The Supreme Court on Sunday stayed a High Court order that halted a Securities and Exchange Commission's directive for merchant banks and stockbrokers to follow a net asset value (NAV) based calculation for credit disbursement and loan maintenance.
SEC says the market situation is now under its close watch and any initiatives hinges on how the market moves.
All the sectors but banks advanced yesterday. Bank stocks fell slightly. Advancers beat losers 189 to 49, with seven securities remaining unchanged.
Among the big gainers, telecom rose 4.09 percent, general insurance 3.73 percent, non-banking financial institutions 3.09 percent. Life insurance, cement and fuel and power also advanced more than 2 percent.
Total turnover, however, slipped 33 percent to Tk 1,564 crore on the prime bourse on a transaction of more than 8.59 crore shares and mutual fund units.
Premier Bank topped the turnover list of the DSE with 10.80 lakh shares worth Tk 66.80 crore being traded on the floor.
On the port city bourse, gainers beat losers 120 to 59, with six securities remaining unchanged. The CSE traded more than 1.05 crore shares and mutual fund units with a turnover of Tk 156 crore.
The United Commercial Bank topped the turnover leaders on the CSE with 77 thousands shares worth Tk 11.42 crore being traded on the board.

Latest from BPL ground