শেয়ারবাজারে
আসছে সরকারি মালিকানাধীন আরও একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল
কোম্পানি লিমিটেড। সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার অংশ হিসেবে শিগগিরই এটি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে।
Stock News 24
Fresh from BPL T20 Cricket
Showing posts with label Prothom Alo. Show all posts
Showing posts with label Prothom Alo. Show all posts
Thursday, 19 January 2012
Wednesday, 18 January 2012
এমন সিদ্ধান্ত হয়নি মন্ত্রিসভায়: এসইসি
সরকারি কর্মীদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে না
এমন সিদ্ধান্ত হয়নি মন্ত্রিসভায়: এসইসি
শেয়ারবাজারে
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিনিয়োগ করতে পারবেন না-এমন কোনো সিদ্ধান্ত
গত ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হক।
তিনি আজ বুধবার সকালে এসইসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাঠ করা এক
লিখিত বক্তব্যে একথা বলেন।
Labels:
Prothom Alo
বিনিয়োগকারীদের আন্দোলনে উত্তাল মতিঝিল
বিক্ষোভ,
অগ্নি সংযোগ, পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়াসহ উত্তাল
পরিস্থিতি বিরাজ করছে রাজধানীর মতিঝিলের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)
সামনে। সকাল থেকে শুরু হওয়া বিনিয়োগকারীদের কর্মসূচি এখনো অব্যাহত রয়েছে।
পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে এবং সরকারের সম্প্রতি নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও ডিএসইতে লেনদেন বন্ধ রাখার দাবিতে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে এবং সরকারের সম্প্রতি নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও ডিএসইতে লেনদেন বন্ধ রাখার দাবিতে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
Labels:
Prothom Alo
অস্থিরতায় লেনদেন বন্ধ
শেয়ারবাজারের
অস্থিরতায় আবার বন্ধ হলো লেনদেন। গতকাল মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জের
পরিচালনা পর্ষদ লেনদেন বন্ধ করে দেয়। লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে
বিষয়টি বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে
(এসইসি) অবহিত করা হয়।
কালোটাকা বিনিয়োগ নিয়ে কয়েক দিন ধরে বাজারে দরপতন চলছিল। আর গত সোমবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ারে বিনিয়োগ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ালে গতকাল লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কালোটাকা বিনিয়োগ নিয়ে কয়েক দিন ধরে বাজারে দরপতন চলছিল। আর গত সোমবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ারে বিনিয়োগ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ালে গতকাল লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
Labels:
Prothom Alo
Tuesday, 17 January 2012
আজ মঙ্গলবার লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে
দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আজ মঙ্গলবার লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
অনিবার্য কারণে এই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ
থেকে জানানো হয়েছে। তবে দুপুর ১২টায় এক ব্রিফিংয়ে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী
মোশাররফ এম হোসেন জানান, ডিএসইর এই লেনদেন কেবল আজই বন্ধ থাকবে। বেলা একটায়
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ও পরে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে
আলোচনা করে এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Labels:
Prothom Alo
Monday, 16 January 2012
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিক্ষোভ
দেশের পুঁজিবাজারে আজ সোমবার দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। এতে পুঁজি হারিয়ে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। একপর্যায়ে ডিএসইর সামনের সড়কের একপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এটি নতুন বছরে বিনিয়োগকারীদের প্রথম বিক্ষোভ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ বেলা সোয়া ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১০০ পয়েন্ট বেশি পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসেন। তাঁরা ডিএসইর সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। বেলা পৌনে একটার দিকে তাঁরা ডিএসইর সামনের সড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে ওই সড়কের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ বেলা সোয়া ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১০০ পয়েন্ট বেশি পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসেন। তাঁরা ডিএসইর সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। বেলা পৌনে একটার দিকে তাঁরা ডিএসইর সামনের সড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে ওই সড়কের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
Labels:
Prothom Alo
শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন অব্যাহত
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সোমবার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ করছেন। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বিক্ষোভ চলছিল।
ডিএসইতে অজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে সাধারণ সূচক প্রায় ১২১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছিল ৪,৯১০ পয়েন্টে। ব্যাপক দরপতনের কারণে আজ সকালেই সাধারণ সূচক পাঁচ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে যায়। এই সময়ে লেনদেন হয়েছিল ১৮৯ কোটি টাকার।
ডিএসইতে অজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে সাধারণ সূচক প্রায় ১২১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছিল ৪,৯১০ পয়েন্টে। ব্যাপক দরপতনের কারণে আজ সকালেই সাধারণ সূচক পাঁচ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে যায়। এই সময়ে লেনদেন হয়েছিল ১৮৯ কোটি টাকার।
Labels:
Prothom Alo
Monday, 26 December 2011
ফ্রি ফ্লোটের ভিত্তিতে সূচক গঠনের সিদ্ধান্ত
ফ্রি ফ্লোটের ভিত্তিতে স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ সোমবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ফ্রি ফ্লোটের সংজ্ঞা নির্ধারণের জন্য এসইসির সদস্য আরিফ খানকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ছাড়া কমিটিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) প্রতিনিধি আছেন। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
Labels:
Prothom Alo
Tuesday, 21 June 2011
বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কাজ করছি: খায়রুল হোসেন
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন বলেছেন, ‘পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য যেসব কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, আমরা তা করে যাচ্ছি। তবে বাজার বর্তমানে যে অবস্থায় আছে, সেখান থেকে উত্তরণ এক দিনে সম্ভব নয়। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি।’
Labels:
Prothom Alo
Monday, 20 June 2011
সপ্তাহের প্রথম দিনেই পুঁজিবাজারে দরপতন
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। এ নিয়ে পুঁজিবাজারে টানা চার দিন দরপতন অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রোববার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে। একই সঙ্গে লেনদেনও কমেছে অনেক।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিনের শুরুতে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট কমে যায়। তবে ২০ মিনিটের মাথায় সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। এ সময় সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক নিম্নমুখী হতে শুরু করে, যা সারা দিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৮৯ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৬৮৬ দশমিক ৭২ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিনের শুরুতে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট কমে যায়। তবে ২০ মিনিটের মাথায় সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। এ সময় সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক নিম্নমুখী হতে শুরু করে, যা সারা দিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৮৯ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৬৮৬ দশমিক ৭২ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
Labels:
Prothom Alo
Friday, 17 June 2011
স্কয়ার টেক্সটাইলসের ক্যাশ ও স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা
২০ শতাংশ হারে স্টক ডিভিডেন্ড (বোনাস শেয়ার) ঘোষণা করেছে স্কয়ার টেঙ্টাইলস। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডাররা গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরে শেষ হওয়া বছরের জন্য এ সুবিধা পাবেন। গতকাল ১৬ জুন গাজীপুরের কাশিমপুরের ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। গত বছর কম্পানিটির গ্রস প্রফিট, করপূর্ব নেট প্রফিট এবং কর-পরবর্তী নেট প্রফিট যথাক্রমে ৮৮৬ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন, ৬৭৬ দশমিক ১৭ মিলিয়ন এবং ৫৬৪ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন টাকা।
এ বছর জাতীয় রাজস্বে স্কয়ার টেঙ্টাইলসের অবদান ১২৬ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন টাকা। পুরো বছরই প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং অপারেশনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে অর্থপূর্ণ অবদান রেখেছে, যার পরিমাণ ১,২২০ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন টাকা। সভায় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডাররা কম্পানির কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনায় অংশ নেন। চেয়ারম্যানের পক্ষে সমাপনী বক্তব্যে তপন চৌধুরী কম্পানির প্রতি শেয়ারহোল্ডারদের সমর্থনের প্রশংসা করেন।
Labels:
Prothom Alo
ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স ২৫% স্টক ও ২৫% রাইট শেয়ার দেবে
ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স কোম্পানির ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা গত বুধবার ঢাকার অফিসার্স ক্লাবে কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শোয়েবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কোম্পানির ২০১০ সালের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ও ২৫ শতাংশ রাইট শেয়ার অনুমোদন করা হয়।
সভায় কোম্পানির পরিচালকদের মধ্যে দীন মোহাম্মদ, আবদুর রহমান, মোবারক আলী, আজিজ-আল-মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম খান, বদরুদ্দোজা মান্নান, ওয়াসিফ আহমেদ ও মোহাম্মদ হায়দার আলী এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জামিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, ২০১০ সালে কোম্পানি সর্বমোট ৪৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যবসা করে। আলোচ্য বছরে কোম্পানি ১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা করপূর্ব মুনাফা অর্জন করে। বিজ্ঞপ্তি।
Labels:
Prothom Alo
Tuesday, 12 October 2010
সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান গঠনের সময়সীমা বৃদ্ধি
News Source: http://bit.ly/bXmlNR
Labels:
Bangla News 24,
Prothom Alo
ডিএসই: সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ৬৬.৬২ পয়েন্ট
News Source: http://bit.ly/aq8ddz
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সাধারণ মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। আজ বিকেল তিনটায় লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ মূল্যসূচক ৬৬ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৬৩ দশমিক ০৫ পয়েন্টে।
ডিএসইতে আজ ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৭টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।
এদিকে ডিএসইতে আজ মোট দুই হাজার ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৪৫৪ কোটি টাকা বেশি।
লেনদেনে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো—বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, বিডি ফিন্যান্স, বিজিআইসি ও বেক্সিমকো টেক্সটাইল।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৭৯ টাকা বা ১১.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডস, কাশেম ড্রাইসেলস, আইসিবি ও ইমাম বাটন দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে ঢাকা ফিশারিজের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২৮.৫০ টাকা বা ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে যায়। এ ছাড়া বিডি অটোকারস, জেমিনি সি ফুড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড-১ দাম কমে যাওয়া শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ ডিএসইর বাজারমূলধন ৩,২৪,১৬৮ কোটি টাকা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সাধারণ মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। আজ বিকেল তিনটায় লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ মূল্যসূচক ৬৬ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৬৩ দশমিক ০৫ পয়েন্টে।
ডিএসইতে আজ ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৭টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।
এদিকে ডিএসইতে আজ মোট দুই হাজার ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৪৫৪ কোটি টাকা বেশি।
লেনদেনে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো—বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, বিডি ফিন্যান্স, বিজিআইসি ও বেক্সিমকো টেক্সটাইল।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৭৯ টাকা বা ১১.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডস, কাশেম ড্রাইসেলস, আইসিবি ও ইমাম বাটন দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে ঢাকা ফিশারিজের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২৮.৫০ টাকা বা ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে যায়। এ ছাড়া বিডি অটোকারস, জেমিনি সি ফুড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড-১ দাম কমে যাওয়া শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ ডিএসইর বাজারমূলধন ৩,২৪,১৬৮ কোটি টাকা।
Labels:
Bangla News 24,
Prothom Alo
ইউসিবিএলের লেনদেন ৪০ মিনিট স্থগিত ছিল
News Source: http://bit.ly/bJwEcO
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) শেয়ার লেনদেন ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত ছিল গতকাল সোমবার।
শেয়ারের সাম্প্রতিক মূল্য বাড়ার কারণ সম্পর্কে অনুসন্ধানের জবাব যথাসময়ে না দেওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ব্যাংকটির শেয়ারের লেনদেন সাময়িক স্থগিত করে। গতকাল লেনদেন শুরুর কিছু সময়ের মধ্যেই ব্যাংকটির শেয়ারের লেনদেন স্থগিত করা হয়।
পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিএসইর অনুসন্ধানের জবাব দিলে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে লেনদেন আবার শুরু হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিএসইকে জানিয়েছে, শেয়ারের দাম বাড়ার মতো কোনো সংবেদনশীল তথ্য এ মুহূর্তে তাদের কাছে নেই।
লেনদেন শুরু হলে সর্বনিম্ন এক হাজার ৪৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫১০ টাকার মধ্যে ইউসিবিএলের দুই লাখ ২১ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। এ দিন শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল এক হাজার ৪৬৪ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ টাকা কম।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের শেষ দুই দিনে ডিএসইতে ব্যাংকটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৫০ টাকার মতো। হঠাৎ করে এভাবে দাম বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকটিকে চিঠি দেয় ডিএসই।
চিঠিতে ব্যাংকটির কাছে জানতে চাওয়া হয়, দাম বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কি না।
শেয়ারের সাম্প্রতিক মূল্য বাড়ার কারণ সম্পর্কে অনুসন্ধানের জবাব যথাসময়ে না দেওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ব্যাংকটির শেয়ারের লেনদেন সাময়িক স্থগিত করে। গতকাল লেনদেন শুরুর কিছু সময়ের মধ্যেই ব্যাংকটির শেয়ারের লেনদেন স্থগিত করা হয়।
পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিএসইর অনুসন্ধানের জবাব দিলে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে লেনদেন আবার শুরু হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিএসইকে জানিয়েছে, শেয়ারের দাম বাড়ার মতো কোনো সংবেদনশীল তথ্য এ মুহূর্তে তাদের কাছে নেই।
লেনদেন শুরু হলে সর্বনিম্ন এক হাজার ৪৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫১০ টাকার মধ্যে ইউসিবিএলের দুই লাখ ২১ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। এ দিন শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল এক হাজার ৪৬৪ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ টাকা কম।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের শেষ দুই দিনে ডিএসইতে ব্যাংকটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৫০ টাকার মতো। হঠাৎ করে এভাবে দাম বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকটিকে চিঠি দেয় ডিএসই।
চিঠিতে ব্যাংকটির কাছে জানতে চাওয়া হয়, দাম বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কি না।
Labels:
Bangla News 24,
Prothom Alo
মূল্য সংশোধন হতে গিয়েও ঘুরে দাঁড়াল বাজার
News Source: http://bit.ly/cMFJWy
শেয়ারবাজারে কোনো সতর্কবাণীই কাজে আসছে না। দুই স্টক এক্সচেঞ্জ গত শনিবার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার পরের দিন বাজার কিছুটা মূল্য সংশোধনের ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু সেই ইঙ্গিতকে ভুল প্রমাণ করে গতকাল সোমবার আবারও ঊর্ধ্বগতির ধারায় ফিরে গেছে দেশের শেয়ারবাজার।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ১০৪ পয়েন্ট বেড়ে সাত হাজার ৩৯৬ পয়েন্ট হয়েছে। এর আগের দিন ১৮৭ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ২৯২ পয়েন্টে নেমে এসেছিল।
আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ২১ হাজার ৫১২ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
তবে সূচক বাড়লেও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা কম। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫৬ কোটি টাকা। এই স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৬১ কোটি টাকা।
আর বাজারের এ আচরণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। সংস্থাটি মনে করেছিল, ঋণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া তাদের উদ্যোগ আপিল বিভাগ বহাল রাখায় বাজারে কিছুটা হলেও এর প্রভাব পড়বে। এ ছাড়া ডিএসই ও সিএসইর নেতাদের উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের ওপর ছাপ ফেলবে। কিন্তু বাজারে সে ধরনের কোনো লক্ষণই দেখা যায়নি।
এসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজার যদি এভাবে আচরণ করতে থাকে, তাহলে এসইসির আরও কঠোর হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। কারণ, বাজারকে এ রকম অযৌক্তিকভাবে বাড়তে দেওয়ার মানেই হলো নতুন নতুন বিনিয়োগকারীকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর আমরা কয়েক দিন বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঋণ সমন্বয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
তবে বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এই মুহূর্তে বাজার নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো। বাজারে যে পরিমাণ তারল্যপ্রবাহ রয়েছে, তাতে অন্য কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা খুব একটা কাজে আসবে না, বরং বাজারকে আরও বেশি অস্থিতিশীল করে তুলবে।
এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটা ধারণা জন্মেছে, এসইসি যে সিদ্ধান্তই নিক তাতে বড় জোর এক দিন বাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন হবে। এরপর বাজার আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। গতকালের বাজারেরও এই ভাবনার প্রভাব রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।
বাজার পরিস্থিতি: দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল সকাল থেকেই মূল্যসূচক বাড়তে শুরু করে। লেনদেন শুরুর প্রথম ৪০ মিনিটেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ৮০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। এরপর সূচক সামান্য কমলেও শেষ পর্যন্ত তা ঊর্ধ্বগতির ধারায় ফিরে আসে।
গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জে খাত নির্বিশেষে প্রায় সব ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে বিমা, অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট ও প্রকৌশল খাতের শেয়ারের দিকে বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক ছিল সবচেয়ে বেশি। ব্যাংকিং খাতে ছিল মিশ্র প্রবণতা।
ডিএসইতে গতকাল ২৪৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৯টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৪৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল সাতটি কোম্পানির শেয়ারের দর।
অন্যদিকে সিএসইতে ১৮৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ৫৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল ছয়টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
শেয়ারবাজারে কোনো সতর্কবাণীই কাজে আসছে না। দুই স্টক এক্সচেঞ্জ গত শনিবার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার পরের দিন বাজার কিছুটা মূল্য সংশোধনের ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু সেই ইঙ্গিতকে ভুল প্রমাণ করে গতকাল সোমবার আবারও ঊর্ধ্বগতির ধারায় ফিরে গেছে দেশের শেয়ারবাজার।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ১০৪ পয়েন্ট বেড়ে সাত হাজার ৩৯৬ পয়েন্ট হয়েছে। এর আগের দিন ১৮৭ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ২৯২ পয়েন্টে নেমে এসেছিল।
আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ২১ হাজার ৫১২ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
তবে সূচক বাড়লেও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা কম। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫৬ কোটি টাকা। এই স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৬১ কোটি টাকা।
আর বাজারের এ আচরণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। সংস্থাটি মনে করেছিল, ঋণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া তাদের উদ্যোগ আপিল বিভাগ বহাল রাখায় বাজারে কিছুটা হলেও এর প্রভাব পড়বে। এ ছাড়া ডিএসই ও সিএসইর নেতাদের উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের ওপর ছাপ ফেলবে। কিন্তু বাজারে সে ধরনের কোনো লক্ষণই দেখা যায়নি।
এসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজার যদি এভাবে আচরণ করতে থাকে, তাহলে এসইসির আরও কঠোর হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। কারণ, বাজারকে এ রকম অযৌক্তিকভাবে বাড়তে দেওয়ার মানেই হলো নতুন নতুন বিনিয়োগকারীকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর আমরা কয়েক দিন বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঋণ সমন্বয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
তবে বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এই মুহূর্তে বাজার নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো। বাজারে যে পরিমাণ তারল্যপ্রবাহ রয়েছে, তাতে অন্য কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা খুব একটা কাজে আসবে না, বরং বাজারকে আরও বেশি অস্থিতিশীল করে তুলবে।
এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটা ধারণা জন্মেছে, এসইসি যে সিদ্ধান্তই নিক তাতে বড় জোর এক দিন বাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন হবে। এরপর বাজার আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। গতকালের বাজারেরও এই ভাবনার প্রভাব রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।
বাজার পরিস্থিতি: দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল সকাল থেকেই মূল্যসূচক বাড়তে শুরু করে। লেনদেন শুরুর প্রথম ৪০ মিনিটেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ৮০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। এরপর সূচক সামান্য কমলেও শেষ পর্যন্ত তা ঊর্ধ্বগতির ধারায় ফিরে আসে।
গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জে খাত নির্বিশেষে প্রায় সব ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে বিমা, অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট ও প্রকৌশল খাতের শেয়ারের দিকে বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক ছিল সবচেয়ে বেশি। ব্যাংকিং খাতে ছিল মিশ্র প্রবণতা।
ডিএসইতে গতকাল ২৪৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৯টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৪৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল সাতটি কোম্পানির শেয়ারের দর।
অন্যদিকে সিএসইতে ১৮৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ৫৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল ছয়টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
Labels:
Bangla News 24,
Prothom Alo
Sunday, 10 October 2010
ডিএসইতে দরপতন, সাধারণ সূচক কমেছে ১৮৭.৭৯ পয়েন্ট
ডিএসইতে দরপতন, সাধারণ সূচক কমেছে ১৮৭.৭৯ পয়েন্ট
http://bit.ly/bqcWHo
http://bit.ly/bqcWHo
Labels:
Prothom Alo
Subscribe to:
Posts (Atom)




