Stock News 24

Fresh from BPL T20 Cricket

Showing posts with label BdNews 24. Show all posts
Showing posts with label BdNews 24. Show all posts

Wednesday, 18 January 2012

#DSE faces sharp dip after day off

Stocks traded on the premier bourse of Bangladesh on Wednesday saw a precipitous fall.

The Dhaka Stock Exchange (DSE) general index slipped to 4695.57 points losing 168.72 points or 3.46 percent after the day's trading closed.

Shares worth Tk 3.16 billion changed hands, with losers outnumbering gainers 239 to 14. Two issues remained unchanged.

Only five minutes after trading resumed on Wednesday following Tuesday's suspension, the DSE general index lost 178 points. It started to rise afterwards and was on the positive zone at 12:45pm. The index, however, returned to the downtrend again after a few minutes and stood at 4784.89 points, with a loss of 79.40 points or 1.63 percent, at 1.37pm.

Tuesday, 17 January 2012

Investment 'confusion' pauses trading

Dhaka, Jan 16 (bdnews24.com)—Fears of negative impacts on the capital market by the 'confusion' over investment in the stocks by public servants forced authorities to suspend trading on the twin bourses on Tuesday.

Dhaka Stock Exchange (DSE) board said the decision to stop Tuesday's trading was taken in the 'interest of the investors' after two weeks of bearish trend. The board sat in an emergency meeting at 10am and the decision to pause trading came immediately afterwards.

Trading on Chittagong Stock Exchange (CSE) also paused around five minutes after the start.

Monday, 16 January 2012

পুঁজিবাজারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ

পুঁজিবাজারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ করে এই সংক্রান্ত একটি আইন সংশোধন করেছে সরকার।  সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আয়কর আইন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন হয়।  এর ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুঁজিবাজারে অর্থ বিনিয়োগ বন্ধের বিষয়টি সুস্পষ্ট করা হলো বলে সাংবাদিকদের বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ।

Monday, 26 December 2011

প্রশ্ন ছাড়া পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বহাল

উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন ছাড়াই পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন আহমেদ। 

পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ আর থাকছে না- একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত এই খবরের পর সোমবার এ বিষয়ে এনবিআরের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ কথা জানান। 

নাসিরউদ্দিন বলেন, “১০ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ অব্যাহত রয়েছে। এক্ষেত্রে আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী অর্থের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইবে না এনবিআর।” 

“তবে মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইন বা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় সরকারের কোনো সংস্থা প্রশ্ন করলে, তা আমাদের দেখার বিষয় না। সোজা কথায় আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগে এনবিআর থেকে কোনো প্রশ্ন করা হবে না,” যোগ করেন তিনি। 

Sunday, 30 January 2011

মুদ্রানীতি ঘোষণা, মূল্যস্ফীতি হবে ৭ শতাংশ: কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সরকার চলতি অর্থবছরের বাজেটে সাড়ে ৬ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির কথা বললেও তা ৭ শতাংশের কাছাকাছি থাকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার দুপুরে জানুয়ারি-জুন সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে গিয়ে গভর্নর ড. আতিউর রহমান এ আশঙ্কার কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ মুদ্রানীতি হবে সঙ্কুলানমুখী।

রাজধানীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর বলেন, "গত অর্থবছর সারা বিশ্বেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে খাদ্যমূল্য বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। অন্যদিকে বিকাশমান এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার আশাতীত হওয়ার কারণে জ্বালানি ও খাদ্য বহির্ভূত শিল্পপণ্যের মূল্যও বাড়ন্ত। এই প্রেক্ষাপটে ১২ মাসের মূল্যস্ফীতি অর্থবছরের দ্বিতীয়র্ধে এসে খুব দ্রুত হারে কমবে বলে মনে হয় না।"

"তাই সরকারের বাজেটে প্রত্যাশিত গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ মাত্রায় নেমে আসার সম্ভাবনা কম। বরং এই হার জুন এর দিকে ৭ শতাংশের আশেপাশে রয়ে যাবে বলে আশঙ্কা হয়," যোগ করেন তিনি।

গভর্নর জানান, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রিজার্ভ মানি, ব্রড মানি ও অ্যভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধির যে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল এবারও তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

গত মুদ্রানীতিতে রিজার্ভ মানির ক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ, ব্রড মানির ক্ষেত্রে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং আভ্যন্তরীণ ঋণের ক্ষেত্রে ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রা ধরেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে গত নভেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, রিজার্ভ মানিতে ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ, ব্রড মানির ক্ষেত্রে ২২ দশমিক ২ শতাংশ এবং আভ্যন্তরীণ ঋণের ক্ষেত্রে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা এই মুদ্রানীতিকে 'সঙ্কুলানমুখী' (অ্যাকোমোডেটিভ) অভিহিত করে বলেন, "বাংলাদেশ ব্যাংক কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনমতো মুদ্রার জোগান দিয়ে যাবে।"

নতুন মুদ্রানীতিতে বলা হয়, 'চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে মুদ্রানীতির ভঙ্গিটি প্রথমার্ধের মতোই উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সহায়ক থাকবে।'

'তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ সৃষ্টি রোধের জন্য অপচয়ী অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যাংক ঋণের প্রসার নিরুৎসাহিত করার দিকে তীক্ষè নজর রাখা হবে।'
News Source: BDNews24

Tuesday, 12 October 2010

মার্জিন লোন: হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

News Source: http://bit.ly/atvP3H

বাধ্যতামূলক শেয়ার বিক্রি এবং মার্জিন লোন বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। 

রোববার প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের এসইসির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেয়। 

হাইকোর্টে এ নিয়ে জারি করা রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। তবে আপিল বিভাগ হাইকোর্টে বিচারাধীন রিট আবেদনের শুনানি নিষ্পত্তি করার পদক্ষেপ নিতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে। 

গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট ক্ষুদ্র দুই বিনিয়োগকারী মোর্শেদুর রহমান ও শাহনেওয়াজ জুয়েলের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নেট অ্যাসেট ভ্যালুর ভিত্তিতে মার্জিন লোন নির্ধারণ ও বাধ্যতামূলক শেয়ার বিক্রির বিষয়ে এসইসির নির্দেশনা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছিল। 

পাশাপাশি নেট অ্যাসেট ভ্যালুর ভিত্তিতে মার্জিন লোন নির্ধারণ ও বাধ্যতামূলক শেয়ার বিক্রির নির্দেশনা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুলনিশি জারি করা হয়। 

গত ৬ ও ২১ সেপ্টেম্বর এসইসি এ বিষয়ে দু'টি নির্দেশনা দিয়েছিল। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছিল। 

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে আপিল বিভাগে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। এসইসির পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। 

ওয়ারিদের নেটওয়ার্ক উন্নয়নে দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভারতীর চুক্তি

News Source: http://bit.ly/bx6h3a

বাংলাদেশে ওয়ারিদের নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নয়নে সুইডেনের এরিকসন ও চীনের হুয়াবেই কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে ভারতী প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেল। 

বৃহস্পতিবার ভারতী এয়ারটেল মোবাইল সার্ভিসেসের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল বাংলাদেশ সফরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। 

তিনি বলেন, "এই চুক্তির ফলে মোবাইলে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে আরো উন্নত ভয়েস সুবিধা দিতে পারবে ভারতী।" 

এ বছরের জানুয়ারিতে দুবাই ভিত্তিক ধাবি গ্র"পের ওয়ারিদ টেলিকমের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় ভারতী এয়ারটেল। 

চুক্তি অনুযায়ী ওয়ারিদের অধিকাংশ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করবে এরিকসন। দেশের পূর্বাঞ্চলের নেটওয়ার্কের তত্ত্বাবধানে থাকবে হুয়াবেই। 

সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারিদের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস টোবিট বলেন, "এই অংশিদারিত্বের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে যে আমাদের নেটওয়ার্ক থ্রিজি'র জন্য তৈরি। এর ফলে দেশে থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হলে আমরা দ্রুত এর বিস্তার ঘটাতে পারব।" 

সাংবাদিকরা জানতে চাইলে এই চুক্তির অর্থের পরিমাণ জানাননি তিনি। 

এক প্রশ্নের জবাবে অতুল বিন্দাল জানান, তিনি বিশ্বাস করেন না যে বাংলাদেশের মোবাইল টেলিফোনের বাজার 'অতি উত্তপ্ত'। 

তিনি বলেন, "বাংলাদেশে এখনো টেলিফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক কম। এছাড়া গ্রাহকরা বিশ্বমানের ভয়েস সার্ভিস ও মূল্য সংযোজিত সেবাগুলো এখনো পায়নি।" 

'এয়ারটেল' ব্রান্ড কবে থেকে চালু হবে জানতে চাইলে তিনি কোনো সময়সীমা জানাতে অস্বীকার করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এরিকসন বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার পার-হেনরিক নিয়েলসন ও হুয়াবেই'র আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ম্যাক্স ইয়াং

Sunday, 10 October 2010

#DSE drops after dire warning #Bangladesh

DSE drops after dire warning

http://bit.ly/9YfgFk

Latest from BPL ground