Stock News 24

Fresh from BPL T20 Cricket

Showing posts with label Bangla News 24. Show all posts
Showing posts with label Bangla News 24. Show all posts

Tuesday, 24 January 2012

বাজার তার আপন শক্তিতে ঘুরে দাঁড়াবে - শাকিল রিজভী

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেছেন, বাজার তার আপন শক্তিতে ঘুরে দাঁড়াবে। এ ক্ষেত্রে সকল বিনিয়োগকারীকে ধৈর্যশীল হতে হবে।

মঙ্গলবার মতিঝিলে মধুমিতা সিনেমা ভবনের শাকিল রিজভী সিকিউরিটিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

Sunday, 30 January 2011

সাক্ষাৎকার - বসার জায়গা ঠিক না হলেও কাজ থেমে থাকবে না - খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ

সাক্ষাৎকার - বসার জায়গা ঠিক না হলেও কাজ থেমে থাকবে না - খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ

পুঁজিবাজারে সংঘটিত কারসাজি তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির বসার জায়গা এখনও ঠিক হয়নি। কম্পিউটারসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত হয়নি। তাই বলে আমাদের কাজ থেমে থাকবে না। আমরা দ্রুত কাজ শুরু করে দেবো।’

রোববার কৃষিব্যাংকে নিজ কার্যালয়ে বসে বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কমিটির চেয়ারম্যান কৃষিব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী চিঠিতে বলেছিলেন, এসইসি আমাদের অফিসের ব্যবস্থাসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে। তারা না করলে এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবো। প্রয়োজনে বিকল্প বসার জায়গা হিসেবে কৃষিব্যাংক অথবা বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির অফিসও ব্যবহার করতে পারি।’

খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে ওই সময়গুলোতে এসইসি, ডিএসই ও সিএসইর প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সংগ্রহ করবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্রোকার হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের কার্যক্রমেরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করে তাদের মতামত নেওয়া হবে। বিশেষ করে, এসইসি সম্প্রতি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ওই সময় বাজারে সেগুলোর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন শেয়ার কেন অতিমূল্যায়িত হলো, তা ডিএসই ও সিএসইর কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইব। বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাপারে তথ্য নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গেও বৈঠক করবো। বিশেষ করে যেসব ব্যাংক তাদের আমানতের চেয়ে বেশি অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে, তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হবে।’

এছাড়া কোন কোন ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুঁজিবাজারেরর সঙ্গে সম্পৃক্ত সে বিষয়েও খুঁজে বের করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, পুঁজিবাজারের বিশ্লেষক ছাড়াও এবি মির্জ্জা আজিজুল হক, ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীসহ সাবেক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সঙ্গেও আলোচনায় বসবে তদন্ত কমিটি।

News Source: BanglaNews24

পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব অব্যাহত ॥ ৪ দিনে সূচক বেড়েছে ১২৪৬ পয়েন্ট #dse

পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব অব্যাহত ॥ ৪ দিনে সূচক বেড়েছে ১২৪৬ পয়েন্ট

টানা চতুর্থ দিনের মতো দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ঊর্ধবগতি অব্যাহত রয়েছে।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ডিএসই‘র সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৬ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৭২ দশমিক ৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এ নিয়ে গত চার কার্যদিবসে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে এক হাজার ২৪৬ পয়েন্ট।

রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সিরামিকস খাতের সব শেয়ারের দাম বেড়েছে।

এছাড়াও এদিন প্রকৌশল, বীমা, সিমেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ছিল চোখে পড়ার মতো।

গত চার দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধবগতি থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। এখনো অধিকাংশ বিনিয়োগকারী লোকসানের মধ্যে থাকলেও বাজারের বর্তমান অবস্থাকে স্বাভাবিক হিসেবেই মনে করছেন।

তবে বাজার বিশ্লেষকরা প্রতিদিন দাম বাড়াকে স্বাভাবিক মনে না করলেও বড় ধরনের দরপতনের কারণে বাজার কিছুটা ঊর্ধবমুখীতার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন।

তাদের মতে ধারবাহিক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান বিনিয়োগকারীরা সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে।

এ ব্যাপারে ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, প্রতিদিন শেয়ারের দাম কমে যাওয়া যেমন ঠিক না, তেমনি বাড়াও ঠিক না। যেহেতু বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছিল, তাই বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এটা প্রয়োজন ছিল।

তবে বিনিয়োগকারীদের অতিমূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ করা উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

রোববার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এদিন ডিএসই’তে এক হাজার দ্ইু কোটি দুই লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে।

এটি আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ২২ লাখ টাকা কম। দিনশেষে লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৫ টির এবং কমেছে ৩৩ টি অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটির দাম।

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল, ন্যাশনাল ব্যাংক, বে-লিজিং, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ম্যাকসন স্পিনিং, বেক্সিমকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
News Source: bangla news

Tuesday, 12 October 2010

শিগগির ৩ বছরের লভ্যাংশ দেবে এইমস

News Source: http://bit.ly/dxbUwZ

 শিগগিরই একসঙ্গে তিন বছরের লভ্যাংশ দেবে এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। 

রাইট বোনাস সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনার সার্টিফায়েড কপি হাতে এসে না পৌঁছায় লভ্যাংশ ঘোষণা করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এইমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইয়াওয়্যার সাঈদ।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো এইমস মিউচ্যুয়াল ফান্ডের রাইট বোনাস সংক্রান্ত মামলার হাইকোর্টের রায়ের সার্টিফায়েড কপি পাইনি। তবে আশা করছি আগামী সপ্তাহে পেতে পারি। রায়ের কপি পাওয়ার পর আমরা এসইসির কাছে এ বিষয়ে আমাদের করণীয় জানতে চাইবো।’ 

ঘোষিত দুই বছরের লভাংশের সঙ্গে চলতি বছরের লভ্যাংশও দেওয়া হবে বলে জানান ইয়াওয়্যার সাঈদ।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ড ২০০৮ ও ২০০৯ এই দুই বছরের রাইট ও বোনাস ইউনিট ঘোষণা দেয়। তবে এসইসি প্রতিষ্ঠানটির রাইট বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব বাতিল করে দিলে একজন বিনিয়োগকারী আদালতে রিট করেন। ছয় মাস মামলা চলার পর গত ৬ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এইমসের রাইট বোনাস বাতিল সংক্রান্ত এসইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে।

সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান গঠনের সময়সীমা বৃদ্ধি

News Source: http://bit.ly/bXmlNR

ডিএসই: সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ৬৬.৬২ পয়েন্ট

News Source: http://bit.ly/aq8ddz

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সাধারণ মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। আজ বিকেল তিনটায় লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ মূল্যসূচক ৬৬ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৬৩ দশমিক ০৫ পয়েন্টে।
ডিএসইতে আজ ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৭টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।
এদিকে ডিএসইতে আজ মোট দুই হাজার ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৪৫৪ কোটি টাকা বেশি। 
লেনদেনে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো—বেক্সিমকো, এবি ব্যাংক, বিডি ফিন্যান্স, বিজিআইসি ও বেক্সিমকো টেক্সটাইল।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৭৯ টাকা বা ১১.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডস, কাশেম ড্রাইসেলস, আইসিবি ও ইমাম বাটন দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে ঢাকা ফিশারিজের শেয়ারের দাম। আজ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২৮.৫০ টাকা বা ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে যায়। এ ছাড়া বিডি অটোকারস, জেমিনি সি ফুড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড-১ দাম কমে যাওয়া শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ ডিএসইর বাজারমূলধন ৩,২৪,১৬৮ কোটি টাকা।

ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার

News Source: http://bit.ly/bJ0NdA

রোববার বড় ধরণের দরপতনের পরদিন সোমবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের প্রধান দুই পুঁজিবাজার। একদিনের ব্যবধানে বাজার চাঙ্গা হয়ে ওঠায় আতঙ্ক অনেকটা কেটে গিয়ে বিনিযোগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

 
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধন ও সব সূচক। 
এদিন বাজারে বীমা, প্রকৌশল, আর্থিক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইটি, সেবা ও আবাসন, ট্যানারি এবং টেলিকমিউনিকেশন খাতের প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। তবে ব্যাংকিং খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। 
অন্যদিকে নেটিং সুবিধা বন্ধ থাকায় এদিন উভয় পুঁজিবাজারে আর্থিক লেনদেন কমেছে। 

একদিনের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে এই বিপরীতমুখী আচরণ সর্ম্পকে ডিএসই‘র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহম্মেদ রশিদ লালী বাংলানিউজকে বলেন, রোববার বাজারে বড় দরপতনের পেছনে ২টি বিষয় কাজ করেছে। একটি হলো ডিএসই ও সিএসই‘র যৌথ সংবাদ সম্মেলন এবং অন্যটি মার্জিন লোন সংক্রান্ত আদালতের রায় বিনিযোগকারীদের বিপক্ষে যাওয়া ।  এই দু’টি কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করে। এতে অনেক বিনিয়োগবারী ভয়ে শেয়ার বিক্রি করে দেন। এটা কাম্য ছিল না। কিন্তু আজ সোমবার সে আতঙ্ক অনেকটা কেটে গেছে। আর  বাজারও ঘুরে দাড়িয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, বাজারে যে ভাবে তারল্য (নগদ অর্থ) আসছে সে তুলনায় শেয়ারের সরবরাহ কম । তাই পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের কোনো আশঙ্কা নেই।   
 
সোমবার ডিএসইতে ১ হাজার ৫৬৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।  গতকালের চেয়ে তা ৭৯৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা কম। সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৩.৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৩৯৬.৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। 
দিনশেষে লেনদেন হওয়া ২৪৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৯ টির, কমেছে ৪৯ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭ টি কোম্পানির শেয়ার। 

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো -প্রিমিয়ার ব্যাংক, পিপলস্ লিজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস লিঃ, উত্তরা ফাইন্যান্স, সামিট পাওয়ার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, শাহ্জালাল ব্যাংক লিঃ, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ, বেক্সিমকো লিঃ ও এক্সিম ব্যাংক।

ইউসিবিএলের লেনদেন ৪০ মিনিট স্থগিত ছিল

News Source: http://bit.ly/bJwEcO
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) শেয়ার লেনদেন ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত ছিল গতকাল সোমবার। 
শেয়ারের সাম্প্রতিক মূল্য বাড়ার কারণ সম্পর্কে অনুসন্ধানের জবাব যথাসময়ে না দেওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ব্যাংকটির শেয়ারের লেনদেন সাময়িক স্থগিত করে। গতকাল লেনদেন শুরুর কিছু সময়ের মধ্যেই ব্যাংকটির শেয়ারের লেনদেন স্থগিত করা হয়। 
পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিএসইর অনুসন্ধানের জবাব দিলে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে লেনদেন আবার শুরু হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিএসইকে জানিয়েছে, শেয়ারের দাম বাড়ার মতো কোনো সংবেদনশীল তথ্য এ মুহূর্তে তাদের কাছে নেই। 
লেনদেন শুরু হলে সর্বনিম্ন এক হাজার ৪৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫১০ টাকার মধ্যে ইউসিবিএলের দুই লাখ ২১ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। এ দিন শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল এক হাজার ৪৬৪ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ টাকা কম। 
জানা গেছে, গত সপ্তাহের শেষ দুই দিনে ডিএসইতে ব্যাংকটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৫০ টাকার মতো। হঠাৎ করে এভাবে দাম বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকটিকে চিঠি দেয় ডিএসই। 
চিঠিতে ব্যাংকটির কাছে জানতে চাওয়া হয়, দাম বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কি না।

মূল্য সংশোধন হতে গিয়েও ঘুরে দাঁড়াল বাজার

News Source: http://bit.ly/cMFJWy

শেয়ারবাজারে কোনো সতর্কবাণীই কাজে আসছে না। দুই স্টক এক্সচেঞ্জ গত শনিবার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার পরের দিন বাজার কিছুটা মূল্য সংশোধনের ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু সেই ইঙ্গিতকে ভুল প্রমাণ করে গতকাল সোমবার আবারও ঊর্ধ্বগতির ধারায় ফিরে গেছে দেশের শেয়ারবাজার। 
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ১০৪ পয়েন্ট বেড়ে সাত হাজার ৩৯৬ পয়েন্ট হয়েছে। এর আগের দিন ১৮৭ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ২৯২ পয়েন্টে নেমে এসেছিল। 
আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ২১ হাজার ৫১২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। 
তবে সূচক বাড়লেও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা কম। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫৬ কোটি টাকা। এই স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৬১ কোটি টাকা। 
আর বাজারের এ আচরণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। সংস্থাটি মনে করেছিল, ঋণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া তাদের উদ্যোগ আপিল বিভাগ বহাল রাখায় বাজারে কিছুটা হলেও এর প্রভাব পড়বে। এ ছাড়া ডিএসই ও সিএসইর নেতাদের উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের ওপর ছাপ ফেলবে। কিন্তু বাজারে সে ধরনের কোনো লক্ষণই দেখা যায়নি। 
এসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজার যদি এভাবে আচরণ করতে থাকে, তাহলে এসইসির আরও কঠোর হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। কারণ, বাজারকে এ রকম অযৌক্তিকভাবে বাড়তে দেওয়ার মানেই হলো নতুন নতুন বিনিয়োগকারীকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর আমরা কয়েক দিন বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঋণ সমন্বয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
তবে বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এই মুহূর্তে বাজার নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো। বাজারে যে পরিমাণ তারল্যপ্রবাহ রয়েছে, তাতে অন্য কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা খুব একটা কাজে আসবে না, বরং বাজারকে আরও বেশি অস্থিতিশীল করে তুলবে।
এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটা ধারণা জন্মেছে, এসইসি যে সিদ্ধান্তই নিক তাতে বড় জোর এক দিন বাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন হবে। এরপর বাজার আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। গতকালের বাজারেরও এই ভাবনার প্রভাব রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। 
বাজার পরিস্থিতি: দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল সকাল থেকেই মূল্যসূচক বাড়তে শুরু করে। লেনদেন শুরুর প্রথম ৪০ মিনিটেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ৮০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। এরপর সূচক সামান্য কমলেও শেষ পর্যন্ত তা ঊর্ধ্বগতির ধারায় ফিরে আসে। 
গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জে খাত নির্বিশেষে প্রায় সব ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে বিমা, অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট ও প্রকৌশল খাতের শেয়ারের দিকে বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক ছিল সবচেয়ে বেশি। ব্যাংকিং খাতে ছিল মিশ্র প্রবণতা। 
ডিএসইতে গতকাল ২৪৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৯টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৪৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল সাতটি কোম্পানির শেয়ারের দর। 
অন্যদিকে সিএসইতে ১৮৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ৫৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল ছয়টি কোম্পানির শেয়ারের দর।

Sunday, 10 October 2010

মেট্রো স্পিনিং ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার

মেট্রো স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদ ২০০৯-১০ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডাদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে.
Link
News Source: banglanews24

এসইসির সিদ্ধান্তই বহাল: নিষ্পত্তি পর্যন্ত হাইকোর্টের রুল স্থগিত

এসইসির সিদ্ধান্তই বহাল: নিষ্পত্তি পর্যন্ত হাইকোর্টের রুল স্থগিত


http://bit.ly/b6MRFb

Latest from BPL ground